এমন নির্বাচনই ইসি চায়?
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দেশের রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী নির্ধারণের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। আওয়ামী লীগ রোববার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। ঐক্যফ্রন্টসহ অন্য দলগুলোও আজকালের মধ্যেই তালিকা প্রকাশ করবে। নির্বাচন কমিশনও ব্যস্ত। প্রতিদিনই কমবেশি বিভিন্ন নির্দেশ জারি করে বক্তব্য দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন: এই করা যাবে, সেই করা যাবে না। মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকতে হবে, ভিডিও করা যাবে না, সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে না। এর মানে কি কোনোও কারচুপি দেখলেও ঠোঁট বন্ধ করে রাখতে হবে? নির্বাচন শেষেই কেবল মুখ খোলা যাবে। কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে যাবে। বিভিন্ন কারণে নির্বাচনকে ঘিরে ঠিক উৎসবের আমেজ নেই। স্বতঃস্ফূর্ততা, উচ্ছ্বাসের পরিবর্তে সর্বত্রই যেন একধরনের অনিশ্চয়তা, শঙ্কা ও ভয় বিরাজ করছে। শেষ পর্যন্ত ঐক্যফ্রন্ট কি নির্বাচনে থাকবে বা থাকতে পারবে? নির্বাচন কমিশন (ইসি) কি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে? পরিচিতজনদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, নির্বাচন কেমন হবে? প্রায় সবাই আমতা-আমতা করে বলেছেন, দেখা যাক শেষ পর্যন্ত...